১৯ জুন ২০১৭, সোমবার

ঝালকাঠিতে ব্রীজ ভেঙ্গে ৩ বছর ধরে খালে, সংস্কারের উদ্যোগ নেই, ভোগান্তিতে দুই ইউনিয়নবাসীর

Loading...

 

 

 

 

রহিম রেজা, রাজাপুর(ঝালকাঠি) থেকে

 

 
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের পূর্ব আশিয়ার গ্রামে ব্রীজটি (আয়রন-ঢালাই) প্রায় তিন বছর আগে আকস্মিক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে রয়েছে দুই ইউনিয়নের ৬ গ্রামের স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ।

 

 

 

 

 

স্থানীয়রা দ্রুত বীজটি নির্মানের জন্য কর্তৃপক্ষকে জানালেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা সুরাহা পাননি। এ কারণে সব চেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী এবং স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা। সেতুর অভাবে কয়েক মিনিটের পথ দীর্ঘ কয়েক মাইল পথ ঘুরে পায়ে হেটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। যানবাহনের অভাবে ওই এলাকার অসুস্থ রোগীদের সময়মত হাসপাতালে নেয়া যাচ্ছে না।

 

 

 

 

 

সঠিক সময়ে হাসপাতালে নিতে না পারায় চিকিৎসার অভাবে অনেক রোগীর মৃত্যুরও কারন হয়ে দাড়িয়েছে এ ব্রীজটি। একাধিক স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৮ সালে এলজিইডির আওতায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব আশিয়ার গ্রামের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া সন্ধ্যা ও সুগন্ধার সংযোগ নদী কালিজিরা নদী ওপরে এ ব্রীজটি নির্মান করা হলে দুই ইউনিয়নের মানুষ সড়ক পথে যাতায়াত শুরু করে। নির্মানের সময় নিন্মমানের নির্মান সামগ্রি ব্যবহার করা অবকাঠামোগত ভাবে নরবরে ছিল এ সেতুটি ব্রীজটি, অভিযোগ স্থানীয়দের।

Loading...

 

 

 

 

 

 

এছাড়া মাদক সেবীরা ব্রীজের খুটির এ্যাঙ্গেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় ৩ বছর পূর্বে ব্রীজটি আকস্মিক ভেঙ্গে পড়ে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের আশিয়ার ও মুড়াশাতা এবং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনাসহ ৫/৬টি গ্রামের মানুষ এ ব্রীজের অভাবে সড়ক পথে যাতায়াত করতে পারছে না। সময়মত স্কুল ও কলেজে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।

 

 

 

 

যে কারনে  সমস্যায় পরে অনেকেরই লেখাপড়া বিঘœ ঘটছে। মুড়াশাতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের হাওলাদার বলেন, ব্রীজটা ভাল থাকলে অনেক কম সময়ে মোটরসাইকেলে করে জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে যেতে পারতাম। কিন্তুু এখনতো তা পারছি না। সময়ের কাজ সময়মত না করতে পারলে লাভ কি?।

 

 

 

 

 

বালিঘোনা গ্রামের বাসিন্দা কলেজ ছাত্র রবিউল ইসলাম বলেন, ব্রীজের অভাবে মাত্র কয়েক মিনিটিরে পথ অনেক দূর ঘরে কয়েক কি.মি. পথ পায় হেটে প্রতিদিন কলেজে যেতে হচ্ছে। সময় মত কোন ক্লাস করতে পারছি না। আরমা দ্রুত এই ব্রীজটি নির্মানের দাবি জানাচ্ছি।

 

 

 

 

 

গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা মাসুম শেরওয়ানী বলেন, ব্রীজটি ভেঙে যাওয়ার কারনে গাভারামচন্দ্রপুর ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। খুবই দ্রুত ব্রীজটি নির্মান করা প্রয়োজন। ওই দুই ইউনিয়নের মানুষ এ সমস্যা সমাধানে ানীয় এমপি শিল্পমন্ত্রীর আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

 

 

 

 

 

বিনয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্রীজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ব্রীজটি নির্মানের জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করবেন। ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফউদদৌলা বলেন, এখনও ব্রীজটি নির্মানে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্টিীমেট করে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের কাছে পাঠালে আশা করি পরবর্তী প্রকল্পে এ ব্রীজটি অর্ন্তুরভুক্ত করা যাবে এবং আশা করি ব্রীজটি দ্রুতই নির্মান হবে।

 

 

 

 

Loading...

You must be logged in to post a comment Login

Loading…


মতামত

প্রতিদিনের সর্বশেষ সংবাদ পেতে

আপনার ই-মেইল দিন

Delivered by FeedBurner

[X]