১৬ জুন ২০১৭, শুক্রবার

শৈলকুপায় মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে এমপিওভুক্ত হলেন যে প্রভাষক

Loading...

 

 

 

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

 

 

 

 
ঝিনাইদহের শৈলকুপা সিটি ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক শেখ মো. আব্দুল মান্নানের একাধিক তৃতীয় বিভাগ থাকা স্বত্ত্বেও মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি সরকারি বেতন-ভাতাও তুলছেন।

 

 

 

 

 

এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, কলেজটির পৌরনীতি বিভাগের প্রভাষক হাবিবপুর গ্রামের মৃত গোলাম কুদ্দুসের পুত্র শেখ মো. আব্দুল মান্নান ২০০০ সালের মে মাসের ৪ তারিখে নিয়োগ পান কলেজটিতে। তার ইনডেক্স নম্বর-৩০০২৪৩৯। কলেজে তার সাক্ষাতকার পত্রে উল্লেখ রয়েছে এইচএসসিতে তৃতীয় বিভাগ, পাসের সাল ১৯৯০।

 

 

 

 

 

 

বিএ (পাস) তৃতীয় বিভাগে ১৯৯২ সাল, এমএসএস তৃতীয় বিভাগ, ১৯৯৫ সাল। তার বিপরীতের প্রার্থীরা দ্বিতীয় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ থাকলেও তাদের টপকিয়ে সাত লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে প্রথম করা হয় একাধিক তৃতীয় বিভাগের প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল মান্নানকে। অথচ সরকারি প্রজ্ঞাপন, নিয়োগ বিধিতে ৩টি তৃতীয় বিভাগ থাকলে নিয়োগে সম্পূর্ণ অযোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার কথা।

 

 

 

 

 

 

 

 

এ অবস্থায় পরে এ শিক্ষক এমএসএসএ দ্বিতীয় বিভাগের একটি সনদ কলেজে দাখিল করেছেন। তারপরও দুটি তৃতীয় বিভাগ তার শিক্ষা জীবনে রয়েছে। ২০০৩ সালের ৩ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষা জীবনে যে কোন একটি পরীক্ষায় একটি তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ গ্রহণযোগ্য। এর পরও কিভাবে এমপিওভুক্ত হলেন এই শিক্ষক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে।

 

 

 

 

 

২০০৭ সালে শৈলকুপা সিটি ডিগ্রী কলেজের পৌরনীতি বিভাগের প্রভাষক শেখ আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলা জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। যার নং ১০১/২০০৭। সে মামলার কলেজের সকল প্রকার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য অন্তবর্তীকালীন আদেশে বলা হয়েছিল।

 

 

 

 

পরে বাদীকে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে সে মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অডিট এলেই কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ম্যানেজ করে নেয় নানা উপায়ে। এসব নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের মধ্যে।

 

 

 

 

এসব ব্যাপারে শৈলকুপা সিটি ডিগ্রী কলেজের পৌরনীতি বিভাগের প্রভাষক শেখ মো. আব্দুল মান্নানের ভাষ্য, এমন অনেক কলেজেই তৃতীয় বিভাগের শিক্ষক আছে। প্রায় অনুরুপ কথা বলছেন কলেজটির অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জেল হোসেন। তিনি বলছেন, আপনারা চুপ থাকুন, আগের অনেকেই এভাবে বিভিন্ন কলেজে ঢুকেছিল।

 

 

 

 

 

Loading...

You must be logged in to post a comment Login

মতামত

প্রতিদিনের সর্বশেষ সংবাদ পেতে

আপনার ই-মেইল দিন

Delivered by FeedBurner

[X]