১৯ এপ্রিল ২০১৭, বুধবার

পুরীর মন্দিরের ১০ তথ্য

প্রথমবার্তা ডেস্ক, রিপোর্টঃ         রথযাত্রা বললেই মনে পড়ে যায় যেমন জগন্নাথ দেবের কথা মনে পড়ে যায় তেমনই আবার মনে পড়ে পুরীর মন্দিরের৷ আর এই পুরীর মন্দিরে রয়েছে দশটি বৈশিষ্ট্য৷ এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেই সব ১০ তথ্য৷

 

 

 

 

  • ১) পুরীর মন্দিরের চূড়ায় লাগান পতাকাটির বৈশিষ্ট্য হল এটি সবসময় হাওয়ার বিপরীত দিকে ওড়ে।

 

 

 

 

  • ২) সাধারণত দিনের বেলায় হাওয়া সমুদ্রের দিক থেকে তটের দিকে আসে। আর সন্ধ্যের সময় বিপরীত দিকে অর্থাৎ তটের দিক থেকে সমুদ্রের দিকে হাওয়া বয়ে। কিন্তু পুরীর ক্ষেত্রে তার ঠিক উল্টো। সকালেরল দিকে তটের দিক থেকে সমুদ্রের দিকে হাওয়া বয়ে, এবং সন্ধ্যায় হাওয়ার থাকে বিপরীত অভিমুখ।

 

 

 

  • ৩)পুরীর যে কোনও জায়গা থেকে মন্দিরের চূড়ার দিকে তাকালে সুদর্শন চক্র আপনি দেখতে পাবেন।
  • ৪) এই মন্দিরের উপর দিয়ে কোনও পাখি বা বিমান উড়তে পারে না।
  • ৫) মূল মন্দিরে ছায়া দিনের যে কোনও সময় অদৃশ্য থাকে।

 

 

 

 

  • ৬)পুরী মন্দিরের সারা বছর ধরেই সমপরিমান প্রসাদ রান্না করা হয়। অথচ একই পরিমাণ প্রসাদ দিয়ে কয়েক হাজার মানুষ হোক বা ২০ লক্ষ মানুষকে খাওয়ানো হয়ে থাকে৷ কখনই এই প্রসাদ নষ্ট হয় না বা কখনও কম পড়ে না।

 

  • ৭) মন্দিরের ভিতরে সিংহদ্বারের প্রবেশ করার পর প্রথম সিঁড়িতে পা রাখার পর আর সমুদ্রের আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায় না। অথচ ওই সিঁড়িটি টপকে গেলে আবার সমুদ্রের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। সন্ধ্যেবেলায় এই বিষয়টি সবচেয়ে বেশি অনুভব করা যায়।

 

 

 

 

  • ৮) সাধারণত কোনও মন্দিরে বিগ্রহ হয় পাথর কিংবা ধাতু দিয়ে তৈরি । কিন্তু পুরীর মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা তিনজনের বিগ্রহই কাঠের তৈরি। প্রত্যেক ১২ বছর পর একটি গোপন রীতি মেনে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে নতুন শরীর দেওয়া হয়। অর্থাৎ নতুন রূপে তৈরি করা হয় যাকে বলা হয় পুনর্জন্ম তথা নবকলেবর।

 

 

 

  • বিশেষজ্ঞরা বলেন, মন্দিরের মুখ্য পুরোহিত সপ্নাদেশ পান যে গাছের কাঠ দিয়ে নবকলেবর হবে তা কোথায় পাওয়া যাবে। সেই গাছের কিছু বিশেষত্ব থাকতে হবে।

 

 

 

গাছটি নিমগাছ হবে কিন্তু তাতে চন্দনের গন্ধ থাকবে, গাছে শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মর চিহ্ন থাকবে। সেই গাছে যেন কোনওদিনেও কোনও পাখি না বসে, পশু না চড়ে। আর গাছটি সাপেরা ঘিরে রাখবে৷

Loading...
Loading...

 

 

 

 

  • ৯) রান্নার পদ্ধতিও বিচিত্র৷ মন্দিরের হেঁশেলে একটি পাত্রের উপর আর একটি এমন করে মোট ৭টি পাত্র আগুনে বসানো হয় রান্নার জন্য। এই পদ্ধতিতে যে পাত্রটি সবচেয়ে উপরে বসানো থাকে তার রান্না সবার আগে হয়। তার নিচের তারপরে। এভাবে করতে করতে সবচেয়ে দেরিতে সবচেয়ে নিচের পাত্রের রান্না হয়।

 

 

 

 

  • ১০) এখনকার জগন্নাথ মন্দিরটির সঙ্গে প্রথম তৈরি হওয়া পুরী মন্দিরের অনেক তফাৎ। শুধু মূল মন্দিরটা তৈরি করেছিলেন ইন্দ্রদুম্ন । কিন্তু পরে তৎকালীন সম্রাট ও শাসকদের নেতৃত্বে ক্রমে মেঘানন্দ পাচেরি, মুখশালা , নটমণ্ডপ প্রভৃতি আরও বহু সম্পদ যুক্ত করা হয়েছে।
Loading...

মতামত

প্রতিদিনের সর্বশেষ সংবাদ পেতে

আপনার ই-মেইল দিন

Delivered by FeedBurner

[X]