১৮ এপ্রিল ২০১৭, মঙ্গলবার

গুলশান-হাতিরঝিল কি রাজধানীর বাইরে?

প্রথমবার্তা ডেস্ক, রিপোর্টঃ              রাজধানীতে সিটিং বাস বন্ধের তৃতীয় দিন আজ মঙ্গলবারও চিটিংবাজি চলতে দেখা গেছে। হেলপাররা সিটিং এর বদলে ডাইরেক্ট ডাইরেক্ট বলে যাত্রী ডাকছেন। অফিসগামী যাত্রীরা নিরুপায় হয়ে বেশি ভাড়ায় সওয়ার হচ্ছেন ডাইরেক্ট নামের লোকাল বাসে। সকালে মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ডে দেখা যায়, মৈত্রী, এটিসিএল, এমটিসিএল, এফটিসিএল, মিডওয়েসহ বেশ কিছু পরিবহন চলছে আগের নিয়মেই।

 

 

 

 

এদিকে রাজধানীর গুলশান ২ থেকে গুলশান ১ পর্যন্ত টিকিট সিস্টেম চালু আছে।কিন্তু ভাড়া আদায় করা হচ্ছে অনেক বেশি। গুলশান ২ থেকে শুটিংক্লাব পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা। যেখানে সাধারণ বাসের ভাড়া আদায় করত ৫ টাকা, সেখানে ঢাকার চাকা ভাড়া নিচ্ছে অনেক বেশি।

 

 

 

 

এছাড়া হাতিরঝিলে যে বাস চলছে সেখানে ও বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। রাজধানীর সকল রুটে যদি একই রকম নিয়ম থাকে তাহলে গুলশান এবং হাতিরঝিলে আলাদা আলাদা নিয়ম থাকবে কেন?

 

 

 

 

রাজধানীর গুলশান ১ এবং রাজধানীর গুলশান ২ কি ঢাকার বাইরের কোন এলাকা না কি অন্য কোন কারণ আছে।

মৈত্রী বাসে মোহাম্মদপুর থেকে আরামবাগ পর্যন্ত ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা। কেউ যদি ধানমন্ডিতেও নামে তাকেও গুণতে হবে ২০ টাকা।

 

 

 

 

মৈত্রী বাসের হেলপারের যুক্তি, সারাদিনই লোকাল চালাই। শুধু অফিস টাইমে ডাইরেক্ট। যেখানেই নামুক ২০ টাকা। রাজধানীতে লোকাল চালানোর কথা ডাইরেক্ট কেন চালাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, লোকালই তো চালাই, অহন ডাইরেক্ট।

 

 

 

 

এটিসিএল বাসের হেল্পারকেও ডাইরেক্ট ডাইরেক্ট বলে যাত্রী ডাকতে দেখা যায়। অফিসগামীরা নিরুপায় হয়ে ডাইরেক্ট ভাড়া দিয়ে লোকালেই যাচ্ছেন।

 

এদিকে সিটিং সার্ভিস বন্ধে বিআরটিএ বা পরিবহন মালিক সমিতির কোন অভিযান বা পরিদর্শন টিম দেখা যায়নি মোহাম্মদপুর এলাকায়। তাই সিটিং এর নামে চিটিংবাজি দেখার কেউ নেই।

You must be logged in to post a comment Login



মতামত

প্রতিদিনের সর্বশেষ সংবাদ পেতে

আপনার ই-মেইল দিন

Delivered by FeedBurner